ময়মনসিংহে মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় মসজিদের এক ইমামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) মধ্যরাতে সিলেট সদর উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ সদর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃতের নাম মো. আলামিন (৩০)। তিনি গফরগাঁও উপজেলার মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে ও স্থানীয় একটি মসজিদে এক বছর ধরে ইমামের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ জুলাই আল-আমিন সবাইকে ছুটি দিয়ে পাশের একটি মাদরাসার শ্রেণিকক্ষে নিয়ে ১১ বছরের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানায় মামলা দায়ের করা হলে এর প্রায় ২০ দিন পর বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সিলেট সদর উপজেলা থেকে র্যাব-১৪-এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
এ বিষয়ে র্যাব-১৪’র কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামসুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, মো. আলামিন স্থানীয় একটি মসজিদে এক বছর যাবৎ ইমামের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। গত তিন মাস যাবৎ তিনি স্থানীয় শিশু-কিশোরদের সকালে মক্তবে ধর্মীয় শিক্ষা দিচ্ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, গত ৩১ জুলাই সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সব শিশু-কিশোরকে ছুটি দিয়ে মসজিদের পাশের মাদরাসা থেকে ভুক্তভোগী শিশুকে ঝাড়ু আনতে পাঠান। এ সময় একটি কক্ষে ঝাড়ু আনতে গেলে আলামিনও ওই কক্ষে ঢোকেন এবং ওই শিশুর মুখ চেপে ধরে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
সামসুজ্জামান বলেন, শিশুটি পরে বাড়িতে ফিরে তার বাবা-মাকে বিষয়টি বললে ঘটনার পর দিন ১ আগস্ট মা বাদী হয়ে পাগলা থানায় আলামিনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার পর র্যাব বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তথ্য প্রযুক্তি দিয়ে অবস্থান নিশ্চিত করে সিলেট থেকে আলামিনকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি বলেন, আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের করা জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।